প্রকাশ : ০৫ মার্চ ২০২৬ ০৭:২৩ এএম
          --- ১ মাস আগে
Ad

দেশে শুরু হতে যাচ্ছে ই-হেলথ কার্ড প্রকল্প: চিকিৎসা সেবায় আসছে প্রযুক্তির নতুন অধ্যায়

অ- অ+
দেশে শুরু হতে যাচ্ছে ই-হেলথ কার্ড প্রকল্প: চিকিৎসা সেবায় আসছে প্রযুক্তির নতুন অধ্যায়
দেশে ই-হেলথ কার্ড কর্মসূচি চালুর প্রস্তাব এসেছে, যা জনগণের চিকিৎসা সেবা সহজ ও সমানভাবে নিশ্চিত করবে। এই উদ্যোগের মাধ্যমে প্রতিটি নাগরিককে একটি ইউনিক ই-হেলথ কার্ড প্রদান করা হবে, যা ডিজিটাল স্বাস্থ্যব্যবস্থা গড়ে তোলার লক্ষ্যে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে। এতে করে সরকারি এবং বেসরকারি হাসপাতাল, ক্লিনিক ও ডায়াগনস্টিক সেন্টারে দ্রুত, স্বচ্ছ ও সহজ চিকিৎসা সেবা পাওয়া সম্ভব হবে।
Ad

দেশে চালু হতে যাচ্ছে ই-হেলথ কার্ড কর্মসূচি: চিকিৎসা সেবায় আসছে ডিজিটাল পরিবর্তন

জনগণের চিকিৎসা সেবা সহজ ও সবার জন্য সমানভাবে নিশ্চিত করতে চলমান উদ্যোগ হলো ই-হেলথ কার্ড কর্মসূচি। এই প্রোগ্রামের মাধ্যমে ডিজিটাল স্বাস্থ্যব্যবস্থা প্রতিষ্ঠার লক্ষ্য নিয়ে প্রতিটি নাগরিককে একটি ইউনিক ই-হেলথ কার্ড প্রদান করা হবে। এর ফলে সরকারি এবং বেসরকারি হাসপাতাল, ক্লিনিক, এবং ডায়াগনস্টিক সেন্টারে দ্রুত, স্বচ্ছ এবং সহজ চিকিৎসা সেবা পাওয়া সম্ভব হবে।

প্রস্তাব অনুযায়ী, ই-হেলথ কার্ড প্রতিটি নাগরিকের জাতীয় পরিচয়পত্র বা জন্মনিবন্ধনের সঙ্গে সংযুক্ত থাকবে। এই কার্ডে রোগীর পূর্ববর্তী চিকিৎসা ইতিহাস, প্রেসক্রিপশন এবং বিভিন্ন পরীক্ষার রিপোর্ট ডিজিটালভাবে সংরক্ষণ করা হবে। ফলে জরুরি পরিস্থিতিতে চিকিৎসকরা সহজেই রোগীর প্রয়োজনীয় তথ্য যাচাই করতে সক্ষম হবেন।

এই কর্মসূচির অন্যতম উদ্দেশ্য হলো সকল নাগরিকের জন্য সমতা ভিত্তিক চিকিৎসা সুবিধা নিশ্চিত করা, বিশেষ করে দরিদ্র ও প্রান্তিক জনগণের জন্য ভর্তুকিযুক্ত বা বিনামূল্যে চিকিৎসা ব্যবস্থা চালু করা। পাশাপাশি স্বাস্থ্যখাতে একটি সমন্বিত ডিজিটাল ডাটাবেজ তৈরি করা হবে, যা দুর্নীতি ও অনিয়ম কমাতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।

পরিকল্পনার অংশ হিসেবে, সরকারি হাসপাতালে ই-হেলথ কার্ডধারীরা বিনামূল্যে অথবা স্বল্পমূল্যে চিকিৎসা সেবা পাবেন। নির্দিষ্ট কিছু বেসরকারি হাসপাতালে ভর্তুকিযুক্ত চিকিৎসা সুবিধাও থাকবে। এর সঙ্গে মাতৃসেবা, শিশু চিকিৎসা, এবং বয়স্ক ভাতা সুবিধার সংযোগের উদ্যোগ নেওয়া হবে।

অর্থায়নের জন্য জাতীয় বাজেটের স্বাস্থ্যখাতের বরাদ্দ, সামাজিক নিরাপত্তা কর্মসূচি, প্রবাসী কল্যাণ তহবিল এবং পাবলিক-প্রাইভেট পার্টনারশিপ (PPP) মডেলের ব্যবহার পরিকল্পনা করা হয়েছে।

বাস্তবায়নের জন্য প্রথমে ২ থেকে ৩টি জেলায় পাইলট প্রকল্প চালু করা হবে। পরে এটি পর্যায়ক্রমে সারাদেশে সম্প্রসারণের পরিকল্পনা রয়েছে এবং ভবিষ্যতে স্বাস্থ্য বীমা কাঠামোর সঙ্গে একীভূত করার উদ্যোগও নেওয়া হবে।

বিশেষজ্ঞদের মতে, এই কর্মসূচি বাস্তবায়িত হলে সাধারণ মানুষের চিকিৎসা ব্যয়ের চাপ উল্লেখযোগ্যভাবে কমে যাবে। স্বাস্থ্যসেবায় স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা বৃদ্ধি পাবে এবং দেশে একটি সমন্বিত ডিজিটাল স্বাস্থ্য তথ্যভান্ডার গড়ে উঠবে।

প্রতিবেদন: আবু বকর সিদ্দিক/Katha24
মন্তব্য করুন
সকল মন্তব্য (0)

এখনও কোনো মন্তব্য আসেনি। প্রথম মন্তব্যটি করুন।

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়

জ্বালানি তেলের নতুন মূল্য নির্ধারণ

আমাদের শিক্ষা ব্যবস্থা আধুনিক বিশ্বের সঙ্গে সঙ্গতিপূর্ণ নয়: কাদের গনি চৌধুরী

এনসিপির নারীশক্তির পূর্ণাঙ্গ কমিটি প্রকাশ, নাম দেখে এক নেত্রীর পদত্যাগ

‘আন্তর্জাতিক আইনে হরমুজ প্রণালি নিয়ন্ত্রণের অধিকার রয়েছে ইরানের’

জরুরি সংবাদ সম্মেলন ডেকেছে এনসিপি

জাতীয় সংসদের লাইব্রেরি কমিটির প্রথম বৈঠক রোববার

বিক্রেতার মুখে ফাঁস হলো গোপন তথ্য

জনগণের ভাষা বুঝুন, তাদের আন্দোলনে নামতে বাধ্য করবেন না: এ টি এম আজহার

সুনামগঞ্জের হাওরে বজ্রপাতে ৫ জনের মৃত্যু

চট্টগ্রামে ১১ বিদ্যুৎকেন্দ্র বন্ধ

১০

কেস ফলোআপঃ বাড্ডায় চাঞ্চল্যকর তাছলিমা বেগম রেনু হত্যা মামলা

১১

মোহাম্মদপুরে চাঞ্চল্যকর আসাদুল হত্যাকাণ্ডের ২৪ ঘণ্টার মধ্যেই জড়িত মূল হোতাসহ চারজন গ্রেফতার

১২

ডিএমপিতে পুলিশ পরিদর্শক পদমর্যাদার পাঁচ কর্মকর্তার পদায়ন

১৩

ময়মনসিংহে অনুষ্ঠিত হলো ন্যাশনাল আর্থ অলিম্পিয়াড

১৪

আগামী ২ জুলাই থেকে এইচএসসি ও সমমান পরীক্ষা শুরু

১৫

নীলফামারীতে জ্বালানি তেল জব্দ

১৬

জুনে বাংলাদেশ সফরে আসছে অস্ট্রেলিয়া ক্রিকেট দল

১৭

বাংলাদেশ-নিউজিল্যান্ড প্রথম ওয়ানডে দেখতে মাঠে জাইমা রহমান

১৮

ইরান আংশিকভাবে আকাশসীমা খুলে দিয়েছে

১৯

ডাকার শান্তি ফোরামে যোগ দিতে সেনেগালে পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী

২০
Ad
Ad
Katha Expert