
ভ্রাম্যমাণ আদালতের সিদ্ধান্ত: জুডিশিয়াল সার্ভিস কমিশনের অধীনে আদালতের কর্মচারী নিয়োগ পরীক্ষায় জালিয়াতির দায়ে দুজনকে কারাদণ্ড দিয়েছেন ভ্রাম্যমাণ আদালত। দণ্ডপ্রাপ্তদের মধ্যে একজন হলেন মামুনুর রশিদ (২৮) এবং অপরজন মো. শুভ (২৬)।
আটক হওয়ার ঘটনা: শনিবার রাজধানীর সরকারি তিতুমীর কলেজ কেন্দ্রে পরীক্ষায় জালিয়াতির অভিযোগে তাঁদের আটক করা হয়। ঢাকা মহানগর পুলিশ (ডিএমপি) জানিয়েছে, ভ্রাম্যমাণ আদালতের মাধ্যমে তাঁদের কারাদণ্ড প্রদান করা হয়েছে।
মামলার বিস্তারিত: ডিএমপির এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, আটক মামুনুর রশিদ নওগাঁ আদালতের একজন কর্মচারী। তিনি নিজেকে ভুয়া জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট পরিচয় দিয়ে পরীক্ষার হলে প্রবেশ করেন এবং পরীক্ষার্থী শুভকে উত্তর লিখতে সহায়তা করছিলেন। এ সময় কেন্দ্রে দায়িত্ব পালনরত স্পেশাল ম্যাজিস্ট্রেট আরিফুর রহমান তাঁকে আটক করেন এবং তল্লাশি চালান। তল্লাশির সময় তাঁর কাছ থেকে দুটি মোবাইল ফোন উদ্ধার করা হয়।
জালিয়াতির পদ্ধতি: প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে জানা গেছে, পরীক্ষার্থী শুভ হোয়াটসঅ্যাপ ব্যবহার করে পরীক্ষার হল থেকেই শ্যামল নামে এক ব্যক্তির কাছে প্রশ্নপত্র পাঠান। পরে ওই ব্যক্তি প্রশ্নের উত্তর প্রস্তুত করে একটি বিশেষ ইলেকট্রনিক ডিভাইসের মাধ্যমে তা জানিয়ে দিচ্ছিলেন। শুভ পরীক্ষার হলে বসে সেই উত্তর লিখছিলেন।
উদ্ধারকৃত ডিভাইস: তল্লাশি চালিয়ে শুভর কাছ থেকে ডিভাইসটি উদ্ধার করা হয়। এছাড়া তার কবজিতে লাগানো একটি বিশেষ ডিভাইসও জব্দ করা হয়।
দণ্ডের ঘোষণা: ভ্রাম্যমাণ আদালত মামুনুর রশিদকে এক বছরের সশ্রম কারাদণ্ড এবং শুভকে ১০ মাসের সশ্রম কারাদণ্ড দেন। আলামত জব্দসহ পুরো বিচারপ্রক্রিয়ায় ডিএমপির গুলশান বিভাগ সার্বিক সহযোগিতা করেছে বলে বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে।
মন্তব্য করুন
সকল মন্তব্য (0)
এখনও কোনো মন্তব্য আসেনি। প্রথম মন্তব্যটি করুন।