
রিমান্ডে থাকা আসামিরা হলো আওয়ামী লীগ নেতা সৃজনী হারুনের মালিকানাধীন তাজ ফিলিং স্টেশনের তিন কর্মচারী। তাদের মধ্যে আছেন ঝিনাইদহ সদর উপজেলার বারোইখালি গ্রামের নাসির উদ্দিনের ছেলে নাসিম, আড়ূয়াকান্দি গ্রামের ইউনূস আলীর ছেলে রমিজুল, এবং কাস্টসাগরা গ্রামের সোফিয়ার রহমানের ছেলে আবু দাউদ। উল্লেখ্য, এ মামলায় আরেক আসামি, সদর উপজেলার বালিয়াডাঙ্গা গ্রামের আলমগীর হোসেন, এখনও পলাতক রয়েছেন।
পুলিশি জিজ্ঞাসাবাদে আসামিরা জানিয়েছেন হত্যাকাণ্ডের ভয়াবহ বিবরণ। তারা জানান, নীরব তেল নিতে পাম্পে এলে কর্মচারীদের সঙ্গে কথাকাটাকাটির একপর্যায়ে চার কর্মচারী ক্ষুব্ধ হয়ে তাকে লাঠি দিয়ে মাথার পেছনে ও ঘাড়ে আঘাত করে। এই আঘাতে নীরব গুরুতর আহত হয়ে ঘটনাস্থলেই প্রাণ হারান।
ঝিনাইদহ সদর থানার ওসি ও মামলার তদন্ত কর্মকর্তা শামসুল আরেফিন জানান, গত ৭ মার্চ ঝিনাইদহ শহরের কেন্দ্রীয় বাস টার্মিনাল এলাকায় আওয়ামী লীগ নেতা ও জেলা পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান হারুন অর রশিদের মালিকানাধীন তাজ ফিলিং স্টেশনে তেল নিতে গিয়ে পাম্প কর্মচারীদের হামলায় নিহত হন ফারদিন আহম্মেদ নীরব।
এ ঘটনার পরপরই র্যাব ও পুলিশ অভিযান চালিয়ে হত্যার সঙ্গে জড়িত তিন কর্মচারীকে গ্রেফতার করে। নীরব হত্যার ঘটনায় বিক্ষুব্ধ জনতা আওয়ামী লীগ নেতার মালিকানাধীন পেট্রোল পাম্পে হামলা ও ভাঙচুর চালায়। যদিও পরে পুলিশের তৎপরতায় পরিস্থিতি কিছুটা নিয়ন্ত্রণে এলেও একই মালিকের আরাপপুর সৃজনী ফিলিং স্টেশনে হামলা, ভাঙচুর এবং তিনটি বাসে অগ্নিসংযোগের ঘটনা ঘটে।
মন্তব্য করুন
সকল মন্তব্য (0)
এখনও কোনো মন্তব্য আসেনি। প্রথম মন্তব্যটি করুন।