
আহতদের মধ্যে বিএনপির ৬ জন ও জামায়াতের ৭ জনকে ঝিনাইদহ সদর হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। গুরুতর আহত বিএনপি নেতা তরু মুন্সিকে উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকায় এবং জামায়াতের ওয়ার্ড আমীর দবিবুর রহমানকে ফরিদপুরে পাঠানো হয়েছে।
আহতদের মধ্যে মাধবপুর গ্রামের মুনছুর মুন্সির ছেলে তরু মুন্সি, তার ছেলে শিপন মুন্সি, ভাই হোসেন আলী, ভাতিজা শহিদুল ইসলাম, নায়েব আলী, আব্দুল খালেক ও আকবর আলী এবং ৮ নম্বর চান্দেরপোল ওয়ার্ড জামায়াতের আমীর দবিবুর রহমান ও মাধবপুর গ্রামের জামায়াতের রোকন আবু সাঈদের নাম জানা গেছে। অন্যরা প্রাথমিক চিকিৎসা নিয়েছেন।
স্থানীয় বেতাই পুলিশ ক্যাম্পের তদন্ত কর্মকর্তা আব্দুল আলীম জানান, শুক্রবার মাধবপুর গ্রামের ওহিদুলের বাড়িতে জামায়াতের নারী কর্মীরা একটি তালিম কর্মসূচির জন্য জড়ো হন। এ সময় বিষয়টি নিয়ে স্থানীয় ওয়ার্ড বিএনপির সভাপতি ইলিয়াস হোসেনের সঙ্গে কথা কাটাকাটি হয়। একপর্যায়ে উভয় পক্ষের নেতাকর্মীদের মধ্যে সংঘর্ষ বেধে যায়।
এ বিষয়ে জেলা বিএনপি সভাপতি অ্যাডভোকেট আব্দুল মজিদ বলেন, জামায়াতের নারী কর্মীরা বাড়ি থেকে মা-বোনদের ডেকে নিয়ে আসেন। এ নিয়ে স্থানীয় বিএনপির নেতাকর্মীদের সঙ্গে কথা কাটাকাটি হয়। পরে জামায়াত ও শিবিরের নেতাকর্মীরা লাঠিসোটা নিয়ে হামলা চালায়। এতে বিএনপি নেতা তরু মুন্সিসহ কয়েকজন আহত হন। এছাড়া বিএনপির নেতাকর্মীদের কয়েকটি বাড়িতে ভাঙচুর করা হয়েছে বলেও তিনি দাবি করেন।
অন্যদিকে ঝিনাইদহ জেলা জামায়াতের সেক্রেটারি আব্দুল আওয়াল বলেন, জামায়াতের নারী কর্মীরা ইফতারের আয়োজন করছিলেন। এ সময় বিএনপির লোকজন বাধা দিলে উত্তেজনা সৃষ্টি হয়। পরে বিএনপির হামলায় জামায়াতের ৬ থেকে ৭ জন কর্মী আহত হয়েছেন বলে তিনি দাবি করেন।
তিনি আরও অভিযোগ করেন, জেলার বিভিন্ন এলাকায় জামায়াতের নেতাকর্মীদের ওপর হামলার ঘটনা ঘটছে।
এ বিষয়ে ঝিনাইদহের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার শেখ বিল্লাল হোসেন বলেন, মাধবপুর গ্রামে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে। বর্তমানে সেখানে পুলিশ টহল দিচ্ছে এবং পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রয়েছে।
মন্তব্য করুন
সকল মন্তব্য (0)
এখনও কোনো মন্তব্য আসেনি। প্রথম মন্তব্যটি করুন।