
মানবিকতার অনন্য দৃষ্টান্ত
দাপ্তরিক দায়িত্বের পাশাপাশি মানবিক কাজের জন্যও পরিচিত ছিলেন তিনি। কনকনে শীতে রাস্তায় অজ্ঞান হয়ে পড়ে থাকা এক ব্যক্তিকে হাসপাতালে নেওয়া এবং হারিয়ে যাওয়া এক বৃদ্ধাকে পরিবারের কাছে ফিরিয়ে দেওয়ার মতো ঘটনাগুলো তাকে সাধারণ মানুষের কাছে বিশেষভাবে জনপ্রিয় করে তোলে।
এছাড়া শীতবস্ত্র বিতরণ এবং বর্ষাকালে গোমতী নদীর বাঁধ রক্ষায় রাতের আঁধারে বালুর বস্তা নিয়ে কাজ করার স্মৃতি স্থানীয়দের মনে দীর্ঘদিন থাকবে।
উন্নয়ন ও তদারকি
শিক্ষা ও সংস্কৃতির প্রসারেও ছিল তার উল্লেখযোগ্য ভূমিকা। উপজেলায় একটি সমৃদ্ধ লাইব্রেরি প্রতিষ্ঠা করেন তিনি। পাশাপাশি শিক্ষার্থীদের পড়ালেখার খোঁজখবর নিতে রাতে তাদের বাড়িতে যাওয়ার মতো ব্যতিক্রমী উদ্যোগও নেন।দুর্গাপূজাসহ বিভিন্ন ধর্মীয় ও সামাজিক অনুষ্ঠানে সশরীরে উপস্থিত থেকে সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি বজায় রাখতেও সক্রিয় ছিলেন তিনি।
আইনি কঠোরতা ও রাজস্ব আদায়
আইন-শৃঙ্খলা রক্ষায় ছিলেন আপসহীন। দায়িত্বকালে তিনি মোট ৩৬৭টি মোবাইল কোর্ট পরিচালনা করেন। এসব অভিযানে প্রায় ১৯ লাখ ৫০ হাজার টাকা জরিমানা আদায় করে রাষ্ট্রীয় কোষাগারে জমা দেন।
বিশেষ করে অবৈধ ড্রেজিং বন্ধে তার নিয়মিত অভিযান স্থানীয়ভাবে প্রশংসিত হয়েছে।
বিদায়ী বার্তা
বিদায়বেলায় মো. আবদুর রহমান বলেন,“রাষ্ট্রীয় দায়িত্ব পালন করতে গিয়ে অনেক চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা করেছি। আইনি সীমাবদ্ধতার কারণে হয়তো অনেককে সহযোগিতা করতে পারিনি, তবে সাধ্যমতো জনহিতকর কাজে সময় দেওয়ার চেষ্টা করেছি।”
তিনি তার পরবর্তী কর্মজীবন ও পারিবারিক জীবনের জন্য সবার কাছে দোয়া কামনা করেন।
মো. জিহাদ সরকার, রিপোর্টার, কথা ২৪।
মন্তব্য করুন
সকল মন্তব্য (0)
এখনও কোনো মন্তব্য আসেনি। প্রথম মন্তব্যটি করুন।