
মো: গোলাম কিবরিয়া ।রাজশাহী জেলা প্রতিনিধি
রাজশাহীর মোহনপুর উপজেলায় কৃষক লীগের এক নেতার নৃশংস হত্যাকাণ্ড ঘটেছে। হামলার পর অভিযুক্ত ব্যক্তি ভুক্তভোগীর বিরুদ্ধে থানায় অভিযোগ দায়ের করেছেন, যা পুলিশের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে। অভিযোগের মাত্র কয়েক ঘণ্টা পর হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় ওই নেতার মৃত্যু ঘটে।
নিহত কামরুল হাসান মিঠু (৪০) স্থানীয় জাহানাবাদ ইউনিয়ন কৃষক লীগের সাধারণ সম্পাদক ছিলেন। তার বাড়ি করিসা দুর্গাপুর গ্রামে। শনিবার রাত সাড়ে ৯টার দিকে রাজশাহী মেডিকেল কলেজ (রামেক) হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি মারা যান। ঘটনার পর অভিযুক্ত মো. সাদ্দাম (২৮) পালিয়ে যান।
মোহনপুর থানার উপপরিদর্শক (এসআই) ইয়ামিন আলী জানিয়েছেন, শুক্রবার বিকেলে সেচ দেওয়ার সময় কামরুলের পাইপ ফেটে সাদ্দামের পেঁয়াজক্ষেতে জল চলে যায়। এই বিষয়টি নিয়ে তাদের মধ্যে তর্কাতর্কির ফলস্বরূপ সাদ্দাম কামরুলকে ধারালো অস্ত্র দিয়ে আঘাত করে, যা গুরুতর জখমের কারণ হয়। পরে স্থানীয়রা কামরুলকে উদ্ধার করে রামেক হাসপাতালে নিয়ে যান।
তিনি আরও জানান, শনিবার সন্ধ্যায় সাদ্দাম থানায় গিয়ে কামরুলের বিরুদ্ধে লিখিত অভিযোগ দাখিল করেন, যেখানে তিনি মাথায় আঘাতপ্রাপ্ত হওয়ার বিষয়টি উল্লেখ করেন। অভিযোগ দায়ের করার কয়েক ঘণ্টার মধ্যে কামরুলের মৃত্যু ঘটে।
পুলিশ জানিয়েছে, এই ঘটনায় সাদ্দামের বিরুদ্ধে হত্যা মামলা দায়ের করা হবে। তাকে গ্রেপ্তারের চেষ্টা অব্যাহত রয়েছে। আজ রোববার রাজশাহী মেডিকেল কলেজের মর্গে ময়নাতদন্ত শেষে কামরুলের মরদেহ তার স্বজনদের কাছে হস্তান্তর করা হবে।
মন্তব্য করুন
সকল মন্তব্য (0)
এখনও কোনো মন্তব্য আসেনি। প্রথম মন্তব্যটি করুন।