
বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রশিবিরের কেন্দ্রীয় সভাপতি নূরুল ইসলাম মন্তব্য করেছেন, “জুলাই অভ্যুত্থানের চেতনা এবং ৬৮ দশমিক ৫৯ শতাংশ মানুষের সরাসরি ম্যান্ডেটকে সংসদে সংখ্যাগরিষ্ঠতার জোরে নস্যাৎ করার অপচেষ্টা চলমান। ২৫টি রাজনৈতিক দলের ঐকমত্যে স্বাক্ষরিত ‘জুলাই সনদ’ বর্তমানে বিএনপির হাতেই জিম্মি হয়ে পড়েছে। রাজপথের লড়াইয়ে অর্জিত বিজয়কে আইনি মারপ্যাঁচে নস্যাৎ করার চেষ্টা এ দেশের ছাত্র-জনতা বরদাশত করবে না। জুলাই সনদ পূর্ণাঙ্গ বাস্তবায়নে মাঠে সক্রিয় থাকবে ছাত্রশিবির ইনশাআল্লাহ।”
মঙ্গলবার (৩১ মার্চ) ছাত্রশিবিরের মাসিক কেন্দ্রীয় সেক্রেটারিয়েট বৈঠক ও ঈদ পুনর্মিলনীতে সভাপতির বক্তব্যে, তিনি এই মন্তব্য করেন। দুই দিনব্যাপী বৈঠকে সেক্রেটারি জেনারেল সিবগাতুল্লাহসহ কেন্দ্রীয় সেক্রেটারিয়েট সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন।
নূরুল ইসলাম আরও উল্লেখ করেন, ‘১৭ অক্টোবর ২০২৫-এ অধিকাংশ দলের সম্মতিতে জুলাই সনদ স্বাক্ষরিত হয় এবং ১৩ নভেম্বরের রাষ্ট্রপতির আদেশ অনুযায়ী ১২ ফেব্রুয়ারি গণভোট অনুষ্ঠিত হয়েছে। গণভোটে দেশের ৬৮ দশমিক ৫৯ শতাংশ মানুষ এই সনদের পক্ষে ঐতিহাসিক রায় দিয়েছেন। ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে একক সংখ্যাগরিষ্ঠতা পাওয়ার মানে জনগণের এই সরাসরি রায়কে অগ্রাহ্য করার অনুমতি নয়। ১৩৩টি অধ্যাদেশের মধ্যে রাষ্ট্র সংস্কারের জন্য সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ ও জনস্বার্থে দরকারি অধ্যাদেশগুলো বাস্তবায়নে সরকারের গড়িমসি এবং টালবাহানা মূলত জনগণের ম্যান্ডেটের প্রতি বিশ্বাসঘাতকতা।’
মন্তব্য করুন
সকল মন্তব্য (0)
এখনও কোনো মন্তব্য আসেনি। প্রথম মন্তব্যটি করুন।