
অর্থনীতি ডেস্ক, ৮ এপ্রিল ২০২৬: বর্তমান বৈশ্বিক জ্বালানি সংকট এবং তেলের মূল্যবৃদ্ধির প্রেক্ষাপটে, বাংলাদেশের জ্বালানি আমদানিনির্ভরতা কমানোর জন্য সৌরবিদ্যুৎ একটি সম্ভাব্য সমাধান হতে পারে। তবে, নীতিগত প্রতিশ্রুতি থাকা সত্ত্বেও বাস্তবায়নের সীমাবদ্ধতার কারণে এই খাতের অগ্রগতি বর্তমানে স্থবির হয়ে রয়েছে।
বিনিয়োগ ও সম্ভাবনা: বিশেষজ্ঞদের মতে, ১ মেগাওয়াট সৌর বিদ্যুৎ কেন্দ্র থেকে বছরে প্রায় ১৪ লক্ষ কিলোওয়াট-ঘণ্টা বিদ্যুৎ উৎপাদন সম্ভব। বাংলাদেশের ৫,০০০ মেগাওয়াট লক্ষ্যমাত্রা অর্জনে প্রায় ৩৫,০০০ কোটি টাকার বিনিয়োগ প্রয়োজন। তবে এই বিনিয়োগ আকর্ষণ করার জন্য প্রয়োজন 'ব্যাংকযোগ্য' প্রকল্প এবং বিনিয়োগকারীদের আস্থার পরিবেশ।
প্রধান অন্তরায়: বাংলাদেশে সৌর প্রকল্পের বৃহত্তম বাধা হচ্ছে ভূমি সংকট এবং গ্রিডের সাথে সংযোগের সমস্যা। ১,০০০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ উৎপাদনের জন্য প্রায় ২,২০০ থেকে ২,৩০০ একর জমির প্রয়োজন হয়। অনেক ক্ষেত্রে জমি নিশ্চিত না করেই প্রকল্প বরাদ্দ দেওয়ায় সেগুলো বাস্তবায়নের সুযোগ পায় না।
সমাধানের পথ: সোলার পার্ক মডেল: সরকারি উদ্যোগে জমি এবং অবকাঠামো প্রস্তুত করে বেসরকারি ডেভেলপারদের লিজ দেওয়ার 'সোলার পার্ক' মডেলটি কার্যকর হতে পারে। এটি সঞ্চালন লাইনের জটিলতা কমাবে এবং দ্রুত উৎপাদন শুরু করার সুযোগ দেবে।
ছাদ কৃষি ও শিল্প: কারখানার বিশাল ছাদে সৌর প্যানেল স্থাপন করে দ্রুত বিদ্যুৎ উৎপাদন বৃদ্ধি করা সম্ভব। পাশাপাশি, আমদানিকৃত যন্ত্রপাতিতে শুল্ক ছাড় এবং ট্যাক্স হলিডের মাধ্যমে বিনিয়োগকে আরও ত্বরান্বিত করা যেতে পারে।
মন্তব্য করুন
সকল মন্তব্য (0)
এখনও কোনো মন্তব্য আসেনি। প্রথম মন্তব্যটি করুন।