
কথা২৪ । বগুড়া প্রতিনিধি
মামলার সূত্রে জানা গেছে, উপজেলার নিশ্চিতপুর গ্রামের নুরুল ইসলাম তালুকদারের সাথে তার ভাতিজা এবং প্রতিবেশী নাজিম উদ্দিনের মধ্যে দীর্ঘদিন ধরে জমি সংক্রান্ত বিরোধ চলছিল। এই পরিস্থিতিতে ২০২৫ সালের ১৯ নভেম্বর, নাজিম উদ্দিন তার চাচা নুরুল ইসলামকে হত্যার হুমকি দেয়। এর পরদিন, ২০২৫ সালের ২০ নভেম্বর সন্ধ্যায়, প্রতিবেশী রুবা খাতুন এক কৌশলে নুরুল ইসলামকে পুলিশে ভয় দেখিয়ে বাড়ি থেকে বের করে নিয়ে যায়। এরপর থেকে কৃষক নুরুল ইসলামকে আর খুঁজে পাওয়া যায়নি। এই ঘটনার প্রেক্ষিতে, নুরুল ইসলামের ছেলে শিক্ষক ইমদাদুল হক মিলন ধুনট থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি করেন।
সৃষ্টি হওয়া উদ্বেগজনক পরিস্থিতিতে, ২০২৫ সালের ২২ নভেম্বর সকাল ১০টায়, বাড়ির অদূরে ধান ক্ষেতের মাঝে কানকাটা ও চোখ উপড়ানো অবস্থায় নুরুল ইসলামের মৃতদেহ আবিষ্কৃত হয়। এই ঘটনার পর, নিহতের ছেলে ইমদাদুল হক মিলন শেরপুর থানায় একটি মামলা দায়ের করেন।
মামলাটির তদন্তে, যদিও কোন আসামির নাম উল্লেখ করা হয়নি, তবে আরজিতে নাজিম উদ্দিন ও রুবা খাতুনের নাম উল্লেখ করা হয়েছে। মৃতদেহটি শেরপুর থানা এলাকায় পাওয়ার পর, উপ-পরিদর্শক (এসআই) সুব্রত কুমারকে তদন্তের দায়িত্ব প্রদান করা হয়। ঘটনার পর থেকে নাজিম উদ্দিন ও রুবা খাতুন প্রকাশ্যে ঘুরে বেড়াচ্ছেন।
মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা শেরপুর থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) সুব্রত কুমারের সাথে মুঠোফোনে যোগাযোগ করা হলে, তিনি সাংবাদিক পরিচয় পেয়ে ব্যস্ত আছি বলে সংযোগ বিচ্ছিন্ন করেন। এ কারণে, এই হত্যা মামলার বিষয়ে তার বক্তব্য পাওয়া যায়নি।
মন্তব্য করুন
সকল মন্তব্য (1)
এর সঠিক বিচার চাই পুলিশ নিশ্চয়ই টাকা খেয়েছে