
শরীরের অঙ্গগুলোর মধ্যে কাঁধ ও হাঁটু হলো সবচেয়ে কার্যকর এবং গুরুত্বপূর্ণ: বসা, হাঁটা, হাত তোলা কিংবা দৌড়ানোর মতো প্রতিটি ক্রিয়ায় এই দুটি অঙ্গের ভূমিকা অপরিহার্য। অনেক সময় কাঁধ বা হাঁটুর ব্যথাকে তুচ্ছ মনে করে এড়িয়ে যাই, যা পরবর্তীতে স্থায়ী জটিলতার কারণ হয়ে উঠতে পারে।
বিশেষজ্ঞদের মতে: এই দুই স্থানে ব্যথার কারণগুলো মূলত কয়েকটি।
আঘাত: খেলাধুলা, হঠাৎ পড়ে যাওয়া অথবা ভারী কিছু তোলার সময় পেশিতে টান লাগা।
ভুল ভঙ্গি: দীর্ঘ সময় ধরে ভুল ভঙ্গিতে কাজ করা বা বসা।
পেশি ও লিগামেন্ট ইনজুরি: হাঁটুর লিগামেন্ট ছিঁড়ে যাওয়া, মেনিস্কাসে আঘাত অথবা কাঁধের টেনডনে প্রদাহ (টেনডিনাইটিস) হতে পারে।
বয়স ও ওজন: বয়সজনিত কারণে হাড়ের ক্ষয় (অস্টিওআর্থ্রাইটিস) এবং অতিরিক্ত শরীরের ওজন এই ব্যথার অন্যতম প্রধান কারণ।
নিচে উল্লেখিত লক্ষণগুলো দেখা দিলে: দ্রুত চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া অত্যন্ত জরুরি।
১. তীব্র ব্যথার সঙ্গে জায়গাটি হঠাৎ ফুলে যাওয়া।
২. জোড়া নাড়াতে প্রচণ্ড কষ্ট হওয়া অথবা হাঁটু 'লক' হয়ে যাওয়া।
৩. কাঁধ নাড়ানোর সময় 'ক্লিক' শব্দ হওয়া অথবা দুর্বলতা অনুভব করা।
৪. জোড়া ছুটে যাওয়া অথবা অস্থিরতা অনুভূত হওয়া।
অধ্যাপক ডা. জি এম জাহাঙ্গীর হোসেনের মতে: প্রাথমিক অবস্থায় চিকিৎসা গ্রহণ না করলে ছোট ইনজুরি থেকে দীর্ঘমেয়াদী পঙ্গুত্ব বা হাড়ের স্থায়ী ক্ষতি হতে পারে। নিয়মিত ব্যায়াম, সঠিক ওজন নিয়ন্ত্রণ এবং ব্যথা অনুভব করলে দ্রুত বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নেওয়া আমাদের দৈনন্দিন জীবনকে সচল রাখতে সহায়তা করে।
কথা২৪.কম/২০২৬
মন্তব্য করুন
সকল মন্তব্য (0)
এখনও কোনো মন্তব্য আসেনি। প্রথম মন্তব্যটি করুন।