
ডেস্ক রিপোর্ট ঢাকা I Katha24.com
রাজধানীর বিভিন্ন কাঁচাবাজার ঘুরে দেখা গেছে, ছোলা, ডাল, চিনি, খেজুর, সয়াবিন তেলসহ রমজানকেন্দ্রিক পণ্যের দাম ইতোমধ্যে বাড়তির দিকে। বিক্রেতারা বলছেন, পাইকারি বাজারেই দাম বেশি। আর ভোক্তাদের ভাষ্য—“রমজান এলেই কেন যেন সবকিছুর দাম বাড়ে!”
অর্থনীতিবিদরা মনে করছেন, সরবরাহ ব্যবস্থার দুর্বলতা, মজুতদারি এবং বাজার মনিটরিংয়ের ঘাটতির কারণে এমন পরিস্থিতি তৈরি হয়। সময়মতো কঠোর নজরদারি না থাকলে রমজানে ভোগান্তি বাড়তে পারে।
সরকারের প্রতি প্রত্যাশা
বর্তমান সরকারের নির্বাচিত সংসদ সদস্য, প্রধানমন্ত্রী ও দায়িত্বশীল প্রতিনিধিদের প্রতি সাধারণ মানুষের আহ্বান—রমজান শুরুর আগেই বাজার নিয়ন্ত্রণে দৃশ্যমান পদক্ষেপ নেওয়া হোক।
বিশেষ করে—
নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের পর্যাপ্ত সরবরাহ নিশ্চিত করা
ভ্রাম্যমাণ আদালত ও বাজার মনিটরিং জোরদার করা
মজুতদার ও অসাধু ব্যবসায়ীদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা
টিসিবি কার্যক্রম সম্প্রসারণ
রাজনৈতিক ঐক্যের আহ্বান
সাধারণ মানুষের প্রত্যাশা, এ ইস্যুতে রাজনৈতিক দল ও সংগঠনগুলোর মধ্যে সদর্থক ঐক্য গড়ে উঠুক। রমজানকে ঘিরে যেন কোনো ধরনের সিন্ডিকেট বা অস্থিরতা তৈরি না হয়—সেজন্য সবাইকে দায়িত্বশীল ভূমিকা রাখতে হবে।
ভোক্তাদের কণ্ঠ
একজন নিম্নআয়ের কর্মজীবী বলেন, “রমজান তো ইবাদতের মাস, কিন্তু বাজারে গেলে দুশ্চিন্তা হয়। সরকার যদি কড়া নজরদারি করে, তাহলে আমরা স্বস্তিতে রোজা রাখতে পারব।”
উপসংহার
রমজান মানে সংযম, সহমর্মিতা ও ন্যায়বোধের চর্চা। তাই এই মাসে কৃত্রিম সংকট বা অতিরিক্ত মুনাফার মানসিকতা পরিহার করে মানবিক বাজারব্যবস্থা গড়ে তোলাই সময়ের দাবি।
জনগণের স্পষ্ট বার্তা—রমজানে যেন পণ্যমূল্যের লাগাম শক্ত হাতে ধরা হয়। এখন দেখার বিষয়, সংশ্লিষ্ট মহল কত দ্রুত এবং কতটা কার্যকরভাবে সেই প্রত্যাশা পূরণ করতে পারে।
কথা২৪.কম
রমজান বিশেষ প্রতিবেদন
মন্তব্য করুন
সকল মন্তব্য (0)
এখনও কোনো মন্তব্য আসেনি। প্রথম মন্তব্যটি করুন।