
নিজস্ব প্রতিবেদক, ২৩ ফেব্রুয়ারি ২০২৬: দেশের অর্থনীতির স্থিতিশীলতা ধীরে ধীরে ফিরলেও পুনরুদ্ধারের পথ এখনো বেশ নাজুক বলে জানিয়েছে মেট্রোপলিটন চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রি (এমসিসিআই)। সোমবার (২৩ ফেব্রুয়ারি) প্রকাশিত ২০২৫-২৬ অর্থবছরের অক্টোবর-ডিসেম্বর প্রান্তিকের অর্থনৈতিক পরিস্থিতি পর্যালোচনায় এ তথ্য উঠে এসেছে।
সামষ্টিক অর্থনীতির চালচিত্র: প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, শক্তিশালী রেমিট্যান্স প্রবাহ বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভকে শক্তিশালী করেছে এবং লেনদেনের ভারসাম্য বজায় রাখতে সহায়তা করেছে। তবে বাণিজ্য ঘাটতি বৃদ্ধি এবং রপ্তানি আয় কমে যাওয়া উদ্বেগের কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে। জুলাই-ডিসেম্বর সময়ে রপ্তানি আয় ০.৫৪ শতাংশ কমে ২৪.৪ বিলিয়ন ডলারে দাঁড়িয়েছে, যার প্রধান কারণ নিটওয়্যার ও ওভেন পোশাক খাতের দুর্বল পারফরম্যান্স।
খাতভিত্তিক প্রবৃদ্ধি: কৃষি খাতে প্রবৃদ্ধির হার গত প্রান্তিকের ৩.০২ শতাংশ থেকে কমে ২.৩ শতাংশে নেমেছে। অন্যদিকে, শিল্প খাতে বড় লাফ দেখা গেছে; গত প্রান্তিকের ২.৩৮ শতাংশ প্রবৃদ্ধি বেড়ে এই প্রান্তিকে ৬.৯৭ শতাংশে উন্নীত হয়েছে। সেবা খাতেও প্রবৃদ্ধি কিছুটা বেড়ে ৩.৬৭ শতাংশ হয়েছে।
চ্যালেঞ্জ ও সম্ভাবনা: এমসিসিআই জানিয়েছে, রাজনৈতিক অনিশ্চয়তা এবং বৈশ্বিক অস্থিরতার কারণে বেসরকারি বিনিয়োগ এখনো স্থবির। এছাড়া কঠোর মুদ্রানীতি ও ঋণের উচ্চ সুদের হার ব্যবসায়িক কার্যক্রমকে সংকুচিত করছে। তবে আশার কথা হলো, আগামী তিন মাসে রপ্তানি, আমদানি এবং রিজার্ভ আরও বাড়ার সম্ভাবনা রয়েছে।
মন্তব্য করুন
সকল মন্তব্য (1)
Hmm