
ইটনা কিশোরগঞ্জ প্রতিনিধি I katha24.com
কিশোরগঞ্জ জেলার ইটনা উপজেলার মুতিয়ার হাটি গ্রামে অবস্থিত দারুল কোরআন সিদ্দিকীয়া হাফিজিয়া মাদ্রাসার উদ্যোগে আগামী ১৫ জানুয়ারি, রোজ বৃহস্পতিবার অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে হাফেজ ছাত্রদের পাগড়ী প্রদান অনুষ্ঠান ও কবরবাসীদের রুহের মাগফিরাত কামনায় আয়োজিত ২য় বার্ষিক ইসলামি মহাসম্মেলন।
অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করবেন হাজি মোহাম্মদ আবু বকর সিদ্দিক সাহেব। প্রধান আলোচক হিসেবে উপস্থিত থাকবেন দেশের বরেণ্য আলেমে দ্বীন, শায়খুল হাদীস মুফতি আতিকুর রহমান নোমানী (দাঃ বাঃ), মুহতামিম ও প্রধান মুফতি, জামিয়া রিয়াজুল উলুম মোমেনশাহী। এছাড়াও বিশেষ আকর্ষণ হিসেবে উপস্থিত থাকবেন দেশব্যাপী আলোড়ন সৃষ্টিকারী ইসলামি আলোচক মাওলানা হাফিজুর রহমান বাহুবলী (দাঃ বাঃ), হবিগঞ্জ। বিশেষ অতিথি হিসেবে তাশরীফ আনবেন পীরে বরহক হযরত মাওলানা শায়েখ ফয়জুদ্দিন (দাঃ বাঃ), মুহতামিম ও শায়খুল হাদীস, দারুল হুদা কাসেমুল উলুম মাদ্রাসা, তাড়াইল, কিশোরগঞ্জ।
উক্ত ইসলামি মহাসম্মেলনে স্থানীয় উলামায়ে কেরাম, মশায়েখ ও দেশবরেণ্য বহু আলেম উপস্থিত থাকবেন বলে জানিয়েছেন মাদ্রাসার প্রতিষ্টাতা ও পরিচালক হাফেজ মোঃ মাজহারুল ইসলাম। প্রতিবছরের ধারাবাহিকতায় এবারও মাদ্রাসার হিফজ বিভাগের দুইজন কৃতি শিক্ষার্থীকে পাগড়ী প্রদান করা হবে। তারা হলেন ইটনা মধ্যগ্রাম গাবতলি নিবাসী মোঃ তৈয়ব আলীর পুত্র হাফেজ মোঃ মোজাহিদুল ইসলাম এবং আলগা বাড়ি নিবাসী মোঃ রুম্মান মিয়ার পুত্র হাফেজ মোহাম্মদ রবিউল ইসলাম।
উল্লেখ্য, দারুল কোরআন সিদ্দিকীয়া হাফিজিয়া মাদ্রাসা ২০২৪ সালের ১ জানুয়ারি প্রতিষ্ঠিত হয়। মাদ্রাসার প্রতিষ্ঠাতা ও পরিচালক হাফেজ মোঃ মাজহারুল ইসলাম জানান অল্প সময়ের মধ্যেই আমাদের এই মাদ্রাসাটি এলাকার মানুষের কাছে ব্যাপক সুনাম ও প্রশংসা অর্জন করেছে। বর্তমানে মাদ্রাসাটিতে তিনটি বিভাগ চালু রয়েছে হিফজ বিভাগ নূরানী বিভাগ নাজেরা বিভাগ। মাদ্রাসায় মোট শিক্ষক রয়েছেন ১০ জন এবং ছেলে-মেয়ে মিলিয়ে শিক্ষার্থীর সংখ্যা প্রায় দুই শতাধিক। কৃতজ্ঞতা ও আহ্বান মাদ্রাসার প্রতিষ্ঠাতা ও পরিচালক হাফেজ মোঃ মাজহারুল ইসলাম বলেন, “মাদ্রাসা প্রতিষ্ঠার শুরু থেকে আজ পর্যন্ত যারা শ্রম, অর্থ ও সহযোগিতার মাধ্যমে পাশে ছিলেন—এলাকাবাসী, এবং মাদ্রাসার ছাএ ছাএীদের অভিভাবক ও সকল শুভানুধ্যায়ীদের প্রতি আমি আন্তরিক কৃতজ্ঞতা জানাচ্ছি। পাশাপাশি আগামী ১৫ জানুয়ারি অনুষ্ঠিতব্য ইসলামি মহাসম্মেলনে সর্বস্তরের মুসলিম ভাই-বোনদের দলে দলে উপস্থিত হয়ে মাহফিলের সফলতা কামনা করার জন্য বিশেষভাবে অনুরোধ জানাচ্ছি।”
মাদ্রাসার সকল শিক্ষক বৃন্দগন আশা প্রকাশ করেন, এই মহাসম্মেলনের মাধ্যমে দ্বীনি চেতনা জাগ্রত হবে এবং দুনিয়া ও আখিরাতের কল্যাণ সাধিত হবে।
মন্তব্য করুন
সকল মন্তব্য (0)
এখনও কোনো মন্তব্য আসেনি। প্রথম মন্তব্যটি করুন।