
জাতীয় ছাত্রশক্তির অভিযোগ: ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনকে অস্ত্র হিসেবে ব্যবহার করে বর্তমান সরকার জনগণের বাক্স্বাধীনতা খর্ব করছে। আজ মঙ্গলবার বেলা সাড়ে ১১টায় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের রাজু ভাস্কর্যের পাদদেশে অনুষ্ঠিত এক মানববন্ধনে সংগঠনের নেতৃবৃন্দ এই গুরুতর অভিযোগ উত্থাপন করেন।
মানববন্ধনের উদ্দেশ্য: এই মানববন্ধনটি অ্যাকটিভিস্ট এ এম হাসান নাসিমের মুক্তির দাবিতে অনুষ্ঠিত হয়।
খান তালাত মাহমুদ, জাতীয় ছাত্রশক্তির কেন্দ্রীয় জ্যেষ্ঠ যুগ্ম সম্পাদক, মানববন্ধনে বক্তব্য দিতে গিয়ে বলেন:
“ডিজিটাল নিরাপত্তা আইন ব্যবহার করে শেখ হাসিনার সরকার ফ্যাসিজম কায়েম করেছিল, জনগণের কণ্ঠ রোধ করেছিল। অত্যন্ত দুঃখজনক যে, বর্তমানে বিএনপি সরকার ক্ষমতায় এসে সেই একই আইন ব্যবহার করে মানুষের ওপর নিপীড়ন চালাচ্ছে। আপনারা হাসিনা হওয়ার মিশনে নামবেন না।”
নেতার সতর্কবার্তা: তিনি অভিযোগ করেন যে, হাসান নাসিমের জামিন নিয়ে টালবাহানা করা হচ্ছে এবং দ্রুত মুক্তি না দিলে কঠোর আন্দোলনের হুঁশিয়ারি দেন।
জাহিদ আহসান, সংগঠনের কেন্দ্রীয় সভাপতি, তার বক্তব্যে বলেন, “গত পরশু হাসান নাসিমের জামিন শুনানির কথা থাকলেও তা আটকে দেওয়া হয়েছে। আজ আবার শুনানির দিন ধার্য আছে। আমরা স্পষ্ট করে বলছি, তাকে আর আটকে রাখা যাবে না। আজকের শুনানিতেই তাকে সসম্মানে মুক্তি দিতে হবে।”
নেতৃবৃন্দের আহ্বান: নেতৃবৃন্দ বর্তমান সরকারকে উদ্দেশ্য করে বলেন, ভিন্নমতাবলম্বীদের দমনের পথে না হেঁটে সংসদে জনগণের জ্বলন্ত সমস্যাগুলো নিয়ে আলোচনা ও সমাধান করতে হবে। সরকার যদি দমন-পীড়নের পুরনো পথ বেছে নেয়, তবে ছাত্রসমাজ রাজপথে তার দাঁতভাঙা জবাব দেবে বলেও মানববন্ধনে বক্তারা উল্লেখ করেন।
উত্তেজনার আবহ: উল্লেখ্য, ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনে গ্রেফতার হওয়া অ্যাকটিভিস্ট এ এম হাসান নাসিমের জামিন শুনানিকে কেন্দ্র করে আজ সকাল থেকেই আদালত ও বিশ্ববিদ্যালয় এলাকায় উত্তেজনা বিরাজ করছে। সংশ্লিষ্ট আইনজীবীরা জানিয়েছেন, আজকের শুনানির ফলাফলের ওপর ভিত্তি করে পরবর্তী পদক্ষেপ নেওয়া হবে।
মন্তব্য করুন
সকল মন্তব্য (0)
এখনও কোনো মন্তব্য আসেনি। প্রথম মন্তব্যটি করুন।