প্রকাশ : ২৩ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ ০৮:৩৮ পিএম
          --- ১ মাস আগে
Ad

মধ্যপ্রাচ্যের নিয়ন্ত্রণ: কার হাতে ভবিষ্যৎ?

অ- অ+
মধ্যপ্রাচ্যের নিয়ন্ত্রণ: কার হাতে ভবিষ্যৎ?
মধ্যপ্রাচ্য নিয়ন্ত্রণের অর্থ কি বিশ্বের সর্বশক্তিশালী দেশের মর্যাদা অর্জন, নাকি বৈশ্বিক অর্থনীতির নিয়ন্ত্রণ? এই প্রশ্নের উত্তর খুঁজতে চীন, রাশিয়া এবং আমেরিকার বারবার এই অঞ্চলে আগমন উন্মোচিত করে কৌশলগত প্রতিযোগিতার একটি নতুন দিক।
Ad

আন্তর্জাতিক ডেস্ক।কথা২৪


মধ্যপ্রাচ্য মানে হলো মুসলিম জাতির জন্য এক আল্লাহর দেওয়া নেয়ামত। যেটা শতাব্দীর পৃথিবী ইতিহাসে আমরা পড়ে আসতেছি। কিন্তু যখনই এই অঞ্চলে বাইরের কোনো অঞ্চলের নেতারা নজর দেয় সেই সোনালী ইতিহাসের রহস্য ও নিয়াময়গুলো কিভাবে কাবু করা যায়,তারাও আঁকতে থাকে বিভিন্ন কলাকৌশল। তারই ধারাবাহিকতায় তারা এক দেশ অন্য দেশের সাথে তাদের নিজেদের সুবিধার স্বার্থে যুদ্ধের দামামা লাগিয়ে দেয়।ঠিক যেমনি ভাবে দুই ভাই মিলেমিশে থাকলে যেরকম পাশের প্রতিবেশীদের খারাপ নজর পড়ে তেমনিভাবে।

আজ মধ্যপ্রাচ্যে কেন এই যুদ্ধ? 

একটা কারণ হলো : এই অঞ্চলে বার বার আগমন ঘটেছে ওলি-আউলিয়াদের।  তাদের নির্দেশিত পথ থেকে দূরে চলে যাওয়ার জন্য। যেমন তাদের দিক-নির্দশনা না মানা। আবার এটার মধ্যেও একটা লজিক থাকার কথা সেটা হলো: পবিত্র গ্রন্থ অনুযায়ী ইসলামের বিজয় হবে,তবে তার আগে পরাজয় হবে। হয়তো এখন সেটাই চলতেছে। তবে পরাজয় তো আর এমনে-এমনি হবে নাহ,হবে কিছু স্বার্থ, লোভ বা এক কথায় হারাম কাজের জন্য। সেই পথেই এগোতে যাচ্ছে মধ্যপ্রাচ্যের প্রায় দেশ। আর আল্লাহ তো সরাসরি পরাজয় করে দিবে না,তাদের কাজের উপর নির্ভর করেই দিবে।কারণ এটা হলো একটা পরিক্ষা কেন্দ্র। আবার আল্লাহ সরাসরি পরাজয় এনে দিলে সবাই প্রশ্ন করবে এই ব্যাপারে আর তারা নির্দোষ সাজতে চাইবে তখন। তাই এটা যার যার স্বাধীন কর্মফলের ফল হিসাবেই হবে।

দ্বিতীয় আরেকটা কারণ হতে পারে: আরেকটা কারণ হিসাবে যেটা দাঁড় করাই সেটা হলো অফুরন্ত নেয়ামতের ভাগিদারী হওয়ার তাগিদে চলে আসা। মধ্যপ্রাচ্যে আমেরিকা-রাশিয়া-চীনের কাজটা কি? তাদের একমাত্র উদ্দেশ্য হলো লোভ। তারা মনে করতেছে এখানে নিয়ন্ত্রণ নেওয়া মানেই হলো পৃথিবী নিয়ন্ত্রণ। কারণ এখানেই রয়েছে পৃথিবীর সবকিছুর চালিকাশক্তি। 

দুইটা কারণের মধ্যে যেটাই হবে হোক,চাই মধ্যপ্রাচ্যের ভাগ্য যেনো ইসলামের জন্য ও মুসলমানদের জন্য হয় সবসময়। 

এবার আসুন কার হাতে যেতে পারে মধ্যপ্রাচ্যের ক্ষমতা দেখি।

মধ্যপ্রাচ্যে এখন পর্যন্ত বিশ্বের সবচেয়ে তিনটা দেশ আসছে যুদ্ধ করতে। আসলেই কি এরা যুদ্ধ করতে আসছে নাকি অন্যকেউ এদের দিয়ে এই যুদ্ধ করাচ্ছে? আসুন সেই বিষয়ে আলোচনা করি:

ইসরায়েল-ইউক্রেন হলো এই খেলার মেইন কারিগর। ইউক্রেনের প্রধানমন্ত্রী জেলেনস্কি কিন্তু একজন ইহুদি, এটা যেনো মাথায় থাকে।অন্যদিকে ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রীও একজন ইহুদি। দুইজন মিলে মাঝখানে বসে দাবার গুটি বানাচ্ছেন ইউরোপ-আমেরিকাকে।ইউরোপের কিছু সেটা বুঝতে পারে তাদের নীতি বা কার্যকলাপ থেকে বের হয়েছে। আর কিছু দেশ এখনো ছাগলের তিন নাম্বার বাচ্ছার মতো লাফাচ্ছে। যাই হোক দেখা যাবে পরিশেষে তাদেরই বিজয় হবে,কিন্তু কাজের কাজ কিছু হবে না এই যুদ্ধে ইউক্রেন-ইসরাইলের লাভ ছাড়া। অন্যদিকে কিছুটা অর্থনৈতিকভাবে লাভবান হবে আমেরিকা সশস্ত্র বিক্রি করে। 

কিভাবে এটা বুঝবো?

বর্তমানে রাশিয়ার সম্পূর্ণ মনোযোগ হলো ইরান যুদ্ধে,অন্যদিকে ইউক্রেন আমেরিকা-ইউরোপের কিছু ছাগলের তিন নাম্বার বাচ্ছার মতো দেশগুলোর সহযোগিতায় তারা রাশিয়ার বিপক্ষে দাঁড়িয়ে গেসে। যেটা হলো সম্পূর্ণ ইসরায়েলের মোসাদের চাল। এদিকে চীন-রাশিয়া নজর পড়ে আছে ইরান-আমেরিকা যুদ্ধ নিয়ে। রাশিয়া তো ভিতরে ভিতরে এমনিতেই শেষ ইউক্রেন যুদ্ধ নিয়ে।এখানে চীন কি সেই আগের মতো আছে?  উত্তর হলো মোটেও নাই,কিভাবে জানতে হলে আমাদের জানতে হবে,পানামা ও ভেনেজুয়েলায় চীনের বিনিয়োগের ইতিহাস। চীন এতো পরিমাণ বিনিয়োগ করে বসেছে যে এই দুই দেশে যাতে তারা ইউরোপ-দক্ষিণ আমেরিকায়ও তাদের দাপট দেখানোর একটা চেষ্টা করতে পারে। কিন্তু তারা একটা বড় ভুল করছে সেটা হলো তারা সেখানে আগে প্রতিরক্ষাখাত ও তাদের সমর্থন করা প্রধানমন্ত্রীদের  নিরাপত্তা নিশ্চিত করে নাই। যার জন্য তারা সেখানে যেটার(তেল ও অন্যান্য খনিজ) জন্য গিয়েছে সেটাও শেষ এবং তাদের বিনিয়োগ গুলোরও কোনো কাজে আসতেছে না। যেহেতু সেখানে এখন আমেরিকার এক চেটিয়ে অবস্থান বা তাদের নিয়ন্ত্রণে সবকিছু। 

পরিশেষে এটা বলা যায় মধ্যপ্রাচ্যের যুদ্ধে আমেরিকার সামনে ইরান-রাশিয়া-চীন কিছু না।ইসরায়েল এখন নিরব দার্শনিকের ভূমিকা পালন করলেও দেখা যাবে, যুদ্ধে আমেরিকার কিছু হওয়ার সাথে সাথে ইসরায়েল এসে বাকি কাজ সম্পূর্ণ করে দিচ্ছে। সাথে তো থাকবে ঘরের শত্রুগুলো  জর্ডান, মিশর,সোদি-আরব,আরব-আমিরাতসহ ইউরোপের অনেক দেশ।তারা কেউ প্রথমে আসবে না,আমেরিকা যখন প্রায় শেষ পর্যায়ে তখনই আসবে। যাতের আমেরিকাও ঠিকে যায়, ইরান-রাশিয়া-চীন ও শেষ হয়ে যায়। অন্যদিকে ইউক্রেন স্বাধীন হবে,আর মধ্যপ্রাচ্যে এক চেটিয়ে নিয়ন্ত্রণে চলে যাবে মোসাদের হাতে অর্থাৎ ইসরায়েলের হাতে। পুরোদমে আমেরিকা মাঝখানে  অস্ত্র ব্যবস্থা ও অর্থনৈতিক সুবিধা ভোগ করবে যাতে চীন তাদের ধারে কাছেও আসতে না আগামী পঞ্চাশ একশ বছর।

ইসরায়েল নামক ইহুদিদের হাতেই যাবে আগামীর মধ্যপ্রাচ্যে এবং তাদের মাধ্যমেই শেষ ইসলামের এই চ্যাপ্টার।

 যারা এতো সময় দিয়ে আমার এই আলোচনা পড়বেন তারা অবশ্যয় আমার ভুলগুলো বলবেন,যাতে আমি নেক্স সেগুলো এড়িয়ে চলতে পারি & আপনাদের জন্য অংসখ্য ধন্যবাদ।

হাদি মুহাম্মদ রাফসান

মন্তব্য করুন
সকল মন্তব্য (0)

এখনও কোনো মন্তব্য আসেনি। প্রথম মন্তব্যটি করুন।

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়

জ্বালানি তেলের নতুন মূল্য নির্ধারণ

আমাদের শিক্ষা ব্যবস্থা আধুনিক বিশ্বের সঙ্গে সঙ্গতিপূর্ণ নয়: কাদের গনি চৌধুরী

এনসিপির নারীশক্তির পূর্ণাঙ্গ কমিটি প্রকাশ, নাম দেখে এক নেত্রীর পদত্যাগ

‘আন্তর্জাতিক আইনে হরমুজ প্রণালি নিয়ন্ত্রণের অধিকার রয়েছে ইরানের’

জরুরি সংবাদ সম্মেলন ডেকেছে এনসিপি

জাতীয় সংসদের লাইব্রেরি কমিটির প্রথম বৈঠক রোববার

বিক্রেতার মুখে ফাঁস হলো গোপন তথ্য

জনগণের ভাষা বুঝুন, তাদের আন্দোলনে নামতে বাধ্য করবেন না: এ টি এম আজহার

সুনামগঞ্জের হাওরে বজ্রপাতে ৫ জনের মৃত্যু

চট্টগ্রামে ১১ বিদ্যুৎকেন্দ্র বন্ধ

১০

কেস ফলোআপঃ বাড্ডায় চাঞ্চল্যকর তাছলিমা বেগম রেনু হত্যা মামলা

১১

মোহাম্মদপুরে চাঞ্চল্যকর আসাদুল হত্যাকাণ্ডের ২৪ ঘণ্টার মধ্যেই জড়িত মূল হোতাসহ চারজন গ্রেফতার

১২

ডিএমপিতে পুলিশ পরিদর্শক পদমর্যাদার পাঁচ কর্মকর্তার পদায়ন

১৩

ময়মনসিংহে অনুষ্ঠিত হলো ন্যাশনাল আর্থ অলিম্পিয়াড

১৪

আগামী ২ জুলাই থেকে এইচএসসি ও সমমান পরীক্ষা শুরু

১৫

নীলফামারীতে জ্বালানি তেল জব্দ

১৬

জুনে বাংলাদেশ সফরে আসছে অস্ট্রেলিয়া ক্রিকেট দল

১৭

বাংলাদেশ-নিউজিল্যান্ড প্রথম ওয়ানডে দেখতে মাঠে জাইমা রহমান

১৮

ইরান আংশিকভাবে আকাশসীমা খুলে দিয়েছে

১৯

ডাকার শান্তি ফোরামে যোগ দিতে সেনেগালে পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী

২০
Ad
Ad
Katha Expert