
ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম বিবিসির বরাতে এ তথ্য জানা গেছে।
গত শনিবার যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের যৌথ হামলায় আইআরজিসির কমান্ডার-ইন-চিফ মোহাম্মদ পাকপুর নিহত হওয়ার পরপরই নতুন নেতৃত্ব ঘোষণা করে ইরান সরকার। এর আগে দেশটির রাষ্ট্রীয় বার্তা সংস্থা ইরনা পাকপুরের নিহত হওয়ার বিষয়টি নিশ্চিত করে।
নতুন কমান্ডার হিসেবে নিয়োগ পাওয়া আহমাদ ভাইদি দীর্ঘদিন ধরে ইরানের সামরিক ও কৌশলগত কর্মকাণ্ডের সঙ্গে যুক্ত ছিলেন বলে জানা গেছে। বিশ্লেষকরা বলছেন, চলমান আঞ্চলিক উত্তেজনার প্রেক্ষাপটে এই নিয়োগ তাৎপর্যপূর্ণ।
আইআরজিসি কী?
Islamic Revolutionary Guard Corps (আইআরজিসি) ইরানের একটি প্রধান সামরিক ও আদর্শিক বাহিনী, যা দেশটির নিয়মিত সেনাবাহিনী থেকে পৃথকভাবে পরিচালিত হয়। স্থানীয়ভাবে এটি ‘সিপাহ-ই পাসদারান’ নামেও পরিচিত।
১৯৭৯ সালের ইসলামি বিপ্লবের পরপরই এই বাহিনী গঠিত হয়, যার মূল লক্ষ্য ছিল বিপ্লবের আদর্শ ও রাষ্ট্রব্যবস্থাকে সুরক্ষিত রাখা। বর্তমানে আইআরজিসিকে মধ্যপ্রাচ্যের অন্যতম শক্তিশালী আধাসামরিক বাহিনী হিসেবে বিবেচনা করা হয়।
শক্তি ও কাঠামো
ইরান সরকারের দাবি অনুযায়ী, আইআরজিসি দেশের পররাষ্ট্রনীতি বাস্তবায়ন এবং কৌশলগত লক্ষ্য অর্জনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। বাহিনীটির সক্রিয় সদস্য সংখ্যা প্রায় দুই লাখ।
আইআরজিসির নিজস্ব স্থল, নৌ ও বিমান শাখা রয়েছে। পাশাপাশি দেশটির কৌশলগত অস্ত্রভাণ্ডারের দেখভালের দায়িত্বও তাদের ওপর ন্যস্ত। আঞ্চলিক বিভিন্ন সংঘাতে প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষভাবে সম্পৃক্ত থাকার অভিযোগও রয়েছে এই বাহিনীর বিরুদ্ধে।
বর্তমান পরিস্থিতিতে নতুন কমান্ডারের নেতৃত্বে আইআরজিসির কার্যক্রম ইরান -যুক্তরাষ্ট্র সংঘাতে কিভাবে প্রভাব ফেলে, তা এখন দেখার বিষয়।
মন্তব্য করুন
সকল মন্তব্য (0)
এখনও কোনো মন্তব্য আসেনি। প্রথম মন্তব্যটি করুন।