
গণভোটের রায় বাস্তবায়নের দাবিতে: ২৫ এপ্রিল শনিবার বিকেলে নগরীর টাউনহল প্রাঙ্গনে অনুষ্ঠিত এক সমাবেশে জ্বালানি সংকট নিরসন, দ্রব্যমূল্য নিয়ন্ত্রণ এবং জনদূর্ভোগ লাঘবের জন্য দাবি জানানো হয়।
সরকারের ফ্যাসিবাদি চেহারা: মুয়াযযম হোসাইন হেলাল মন্তব্য করেন, দুই মাসের মধ্যে সরকারের ফ্যাসিবাদি স্বরূপ জনগণের কাছে সুস্পষ্ট হয়ে উঠেছে। ঐক্যমত কমিশনের মাধ্যমে জুলাই সনদ বাস্তবায়নে একমত হয়ে ক্ষমতায় আসার পর তারা জনগণকে প্রতারিত করার চেষ্টা করছে। সরকার আইন ও আদালতকে নিজেদের স্বার্থে ব্যবহার করে অবিচারকে বৈধতা দিতে চাইছে। জনগণ এখন চূড়ান্ত আন্দোলনের জন্য প্রস্তুত রয়েছে। গণভোটের রায় অনুযায়ী জুলাই সনদ বাস্তবায়ন করে জনদাবী মেনে নেওয়ার আহ্বান জানান তিনি।
জাতির হতাশার কারণ: সমাবেশে সভাপতির বক্তব্যে মহানগর জামায়াতের আমির মাওলানা জহির উদ্দিন মুহাম্মদ বাবর বলেন, দুই মাসের মধ্যেই সরকার জাতিকে হতাশ করেছে। ফ্যাসিবাদি কার্যক্রমের আইনগুলো পুনর্বহাল করা হচ্ছে এবং ক্যাম্পাস দখলের রাজনীতি শুরু হয়েছে। থানার ভেতর ডাকসু নেতাদের ওপর হামলা হয়েছে। এসব ফ্যাসিবাদি আচরণ জনগণ কোনভাবেই মেনে নেবে না। ছাত্রশিবির এই দেশের ছাত্র সমাজের আস্থার ঠিকানা, তাই ছাত্রশিবিরকে একা ভাবার সুযোগ নেই। যদি ছাত্রশিবিরের ওপর আক্রমণ হয়, তবে দেশের ছাত্র জনতা সন্ত্রাসীদের বিরুদ্ধে প্রতিরোধ গড়ে তুলবে।
বক্তাদের সমাবেশ: সমাবেশে বক্তব্য রাখেন মহানগর জামায়াতের নায়েবে আমির প্রফেসর মাহমুদ হোসাইন দুলাল, সহকারী সেক্রেটারি হাফেজ মাওলানা আতিকুল্লাহ, এনসিপির বরিশাল জেলা আহবায়ক আবু সাঈদ মুসা, এনসিপি কেন্দ্রীয় নির্বাহী সদস্য রফিকুল ইসলাম কনক, লেবারপার্টি মহানগর সভাপতি এসএম সোহেল মাহমুদ, এবি পার্টির সুমন তালুকদার এবং ১১দলীয় ঐক্যের জেলা ও মহানগর নেতৃবৃন্দ। অনুষ্ঠানটি সঞ্চালনা করেন মহানগর জামায়াতের সেক্রেটারি মাওলানা মতিউর রহমান।
বিক্ষোভ মিছিলের আয়োজন: সমাবেশ শেষে, একটি বিশাল বিক্ষোভ মিছিল টাউনহল থেকে শুরু হয়ে সদর রোড, ফজলুল হক এভিনিউ, চকবাজারসহ নগরীর প্রধান সড়কগুলো প্রদক্ষিণ করে।
মন্তব্য করুন
সকল মন্তব্য (0)
এখনও কোনো মন্তব্য আসেনি। প্রথম মন্তব্যটি করুন।