
ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের সাবেক প্রশাসক মোহাম্মদ এজাজের বিরুদ্ধে পূর্বাচল নতুন শহর প্রকল্পের ১ নম্বর সেক্টরে সবুজায়নের নামে সরকারি জায়গা দখল করে ফুডকোর্ট বা খাবারের দোকান স্থাপনের অনুমতি দেওয়ার অভিযোগ প্রকাশ্যে এসেছে। রাজউকের অধীনস্থ এই জায়গার ওপর গাছ লাগানোর প্রতিশ্রুতি দেওয়া হলেও কার্যত তা বাণিজ্যিক উদ্দেশ্যে ব্যবহারের চেষ্টা চলমান।
মূল বিষয়গুলো নিম্নে বিস্তারিতভাবে উপস্থাপন করা হলো:
জায়গার মালিকানা: রাজউকের পূর্বাচল নতুন শহর প্রকল্পের আওতাধীন টঙ্গী খালের (লেক) দুই পাশে সংরক্ষিত গ্রিন বেল্ট রয়েছে।
চুক্তি বনাম বাস্তবতা: ডিএনসিসি গাছ লাগানোর মাধ্যমে সবুজ বলয় তৈরির প্রতিশ্রুতি দিয়ে রাজউকের কাছ থেকে জায়গাটির ব্যবহারের অনুমতি গ্রহণ করেছিল। কিন্তু তারা নিজে কাজ শুরু না করে ভিভিড কনস্ট্রাকশন নামক একটি বেসরকারি প্রতিষ্ঠানকে দায়িত্ব প্রদান করে।
ফুডকোর্টের অনুমতি: সাবেক প্রশাসক মোহাম্মদ এজাজের নির্দেশে ভিভিড কনস্ট্রাকশনকে সেখানে ১৫টি ফুডকোর্ট স্থাপনের অনুমতি দেওয়া হয়। তাদের যুক্তি ছিল যে, সবুজায়নের রক্ষণাবেক্ষণ খরচ মেটানোর জন্য এই বাণিজ্যিক বরাদ্দ অপরিহার্য।

| বিষয় | বিবরণ |
| আওতাধীন এলাকা | এলাকাটি নারায়ণগঞ্জ জেলার রূপগঞ্জ উপজেলার অন্তর্ভুক্ত, যা বর্তমানে ডিএনসিসির আওতায় আসেনি। |
| রাজউকের অবস্থান | রাজউক স্পষ্টভাবে উল্লেখ করেছে যে, গাছ লাগানোর অনুমতি নিয়ে সেখানে দোকান বা ফুডকোর্ট স্থাপন করার কোনো সুযোগ নেই। তারা এই নির্মাণ কাজে বাধা প্রদান করেছে। |
| আবেদন প্রক্রিয়া | ভিভিড কনস্ট্রাকশনের প্রধান নির্বাহী জেভিয়ার এস বিশ্বাস জানিয়েছেন যে, ডিএনসিসির পরামর্শ অনুযায়ী তারা ঢাকার ভেতরের পরিবর্তে এই নির্দিষ্ট এলাকার জন্য আবেদন করেছিলেন। |
সারসংক্ষেপ: পরিবেশ রক্ষার অজুহাতে অন্যের (রাজউক) জায়গা দখল করে ব্যক্তিমালিকানাধীন প্রতিষ্ঠানকে লাভবান করার এই প্রক্রিয়া বর্তমানে তীব্র সমালোচনার মুখে পড়েছে। সরকারি সম্পদের অপব্যবহার এবং সীমানার বাইরে গিয়ে ডিএনসিসির এই হস্তক্ষেপ প্রশাসনিক নিয়মের পরিপন্থী বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা। -source-bss
মন্তব্য করুন
সকল মন্তব্য (0)
এখনও কোনো মন্তব্য আসেনি। প্রথম মন্তব্যটি করুন।